শব্দ একটি বাংলা ওয়েব বই। শব্দের রচয়িতা এবং প্রকাশক আরিফুর রহমান। শব্দের প্রতি পাতায় একটি করে শ্লোক থাকে। শ্লোক হল ৪ (চার) লাইনের অনুকাব্য, যা সর্ব নিম্ন ৮ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ টি শব্দের সমন্বয়ে রচিত। অনুকাব্য গুলো ছোট ও ভাবগম্ভীর। শব্দ ওয়েব বইয়ে প্রকাশিত অনুকাব্য গুলি মূলত, আরিফুর রহমান-এর দৈনিন্দন অভিজ্ঞতা, জীবন দর্শন, ভাবনা ও চিন্তা চেতনা সমূহের চিত্রায়ন, যা ছন্দে ও শব্দে এই বইয়ে প্রকাশিত।
আরিফুর রহমান
রচয়িতা: আরিফুর রহমান

লেখক সম্পর্কে

আরিফুর রহমানের জন্ম ১৯৮৪ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শাহজাদপুর উপজেলার টেটিয়ার কান্দা গ্রামে। শাহজাদপুরেই তার লেখাপড়া এবং বেড়ে ওঠা। শৈশবে শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত কাচারী বাড়ীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনার পান্ডুলিপি এবং শিল্পকর্ম দেখে শিল্পচর্চায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। শৈশব থেকেই তিনি ছবি আঁকতেন এবং কবিতা লিখতেন। পেশায় তিনি একজন কার্টুনিস্ট এবং এ্যানিমেটর। পাশাপাশি তিনি কার্টুন সাময়িকী টুনস ম্যাগের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কার্টুন প্রতিযোগীতা এবং প্রদর্শনীর আয়োজক। ইতোমধ্যে তিনি সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে একাধিক পুরস্কার এবং সম্মননা অর্জন করেছেন। তিনি ডিসেম্বর ২০১০ সালে স্বদেশ ত্যাগ করেন এবং নরওয়েতে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তিনি নরওয়ের নাগরিক এবং স্থানীয় রাজনীতিক।

গোড়ার কথা

২০০৮ সাল থেকে আরিফুর রহমান ইন্টারনেটের সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক এবং টুইটারে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে স্ট্যাটাস লেখা শুরু করেন। ঐ সময় ফেসবুক এবং টুইটারে স্ট্যাটাসে শব্দ সংখ্যা ১৬০ অক্ষরে সীমাবদ্ধ ছিলো, বিধায় মনের ভাব সংক্ষিপ্ত আকারে লিখে প্রকাশ করতে হতো। এভাবেই লিখতে লিখতে ২০১২ সালে শুরুতে ছন্দ আকারে লেখা শুরু করেন যা তিনি “মিনি কাব্য” নামে অভিহিত করেন। ২০১৪ সালে তিনি সেগুলো সংরক্ষণের উদ্ব্যোগ নেন, তার-ই ধারাবাহিকতায় শব্দ ওয়েব বই-এর সূচনা।

উল্লেখ্য

আরিফুর রহমান প্রথম কবিতা লেখেন ১৯৯৪ সালে, পাঠ্যবইয়ে কবি শামসুর রাহমান কর্তৃক রচিত “স্বাধীনতা তুমি” কবিতার আদলে “বাংলাদেশ তুমি” শীর্ষক কবিতা রচনা করেছিলেন, এটিই ছিলো সূচনা। এরপর স্কুল-কলেজে ছাত্র অবস্থায় সব মিলিয়ে ৫০০ উপরে কবিতা লিখেছিলেন। সে সময় তার কিছু কবিতা স্কুল কলেজের সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিলো। উক্ত সময় তার কবিতার পাঠক ছিল সহপাঠী বন্ধুরা, কবি খ্যাতি পেয়েছিলেন সহপাঠীদের কাছ থেকে। ১৯৯৫ সত্যজিৎ রায় রচিত এবং পরিচালিত হীরক রাজার দেশে চলচ্চিত্রটি দেখার পর, ছন্দে ছন্দে কাব্য রচনায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
আরিফুর রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন রম্য সাময়িকী গুলোর জন্য অংকিত কার্টুনে কাব্য সংলাপ ব্যবহার করেছিলেন, কিন্তু উক্ত কাব্য সংলাপে রম্য ঘাটতি থাকায় সম্পাদকদের পরামর্শে পরবর্তীতে আর কাব্য সংলাপ ব্যবহার করেননি।
বিভিন্ন কর্ম ব্যস্ততার কারণে ২০০৭ সালের পর আরিফুর রহমানের কবিতা লেখা অনিয়োমিত হয়ে যায়।
দীর্ঘ বিরতীর পর, ইন্টারনেটে সামাজিক মাধ্যম গুলোতে মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে আরিফুর রহমান ২০১২ সালের শুরুতে পুনরায় কবিতা লেখা শুরু করেন, শুরুতে শব্দে প্রকাশিত অনুকাব্য গুলো “মিনি কাব্য” নামে পরিচিতি পেলেও  আজ এগুলোই আরিফুর রহমানের শ্লোক নামে অভিহিত।

সংস্করণ, সংযোজন

  • ১ লা জানুয়ারী ২০১৫ শব্দের ওয়েব সংস্করণের সূচনা। 
  • ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল, আরিফুর রহমান গদ্যাকারে গল্প ও নিবন্ধ লেখার তাগিদ অনুভব করে “পুঁথি” নামে শব্দ বইয়ের গদ্য সংস্করণ চালু করেন। 
  • ২০১৯ সালের ২৪ জুন “মিনি কাব্য” গুলোকে “শ্লোক” হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
  • ২০২০ সালের ৩রা জানুয়ারী থেকে, প্রতিটি শ্লোকের নীচে “পাদটীকা” যুক্ত করা হয়। পাদটীকায়, শ্লোকের ভাবার্থ বা শ্লোকের প্রসঙ্গটি সংক্ষিপ্তাকারে লিপিবদ্ধ করা হয়, যেন পাঠক সহজেই শ্লোকের সারকথা বুঝতে পারেন।
  • ১৪ জানুয়ারী ২০২০ থেকে, ভাবার্থ পরিষ্কার করণের লক্ষ্যে শিরোনামে প্রতিটি শ্লোক সংখ্যার পূর্বে বিষয়বস্তু অনুসারে শিরোনাম যোগ করা শুরু হয়, শিরোনামে আধা-কোলন (;) বিরাম চিহ্ন দিয়ে শিরোনাম শব্দ এবং শ্লোক সংখ্যাকে পৃথকীকরণ হিসেবে ব্যবহার শুরু করা হয়। 
  • যে সকল শ্লোক কোন আলোচিত সংবাদ, ঘটনা বা বিশেষ ব্যক্তি বা বিশেষ বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট, সেই সকল শ্লোকে ১৮ জানুয়ারী ২০২১ থেকে তথ্যসূত্র, উৎস বা উদ্ধৃতি হিসেবে বহিঃসংযোগ লিংক যোগ করা হচ্ছে।
  •   ১৩ জানুয়ারী ২০২১ নির্বাচিত শ্লোকের ভিডিও সংস্করণ ইউটিউব এবং ফেসবুকে উন্মুক্ত করণ শুরু। 
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২১ শ্লোকের অডিও সংস্করণ আইটিউনসস্পটিফাই সহ অন্যান্য পডকাস্ট মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে উন্মুক্ত করণ শুরু।
  • ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ তারিখ তারিখে শ্লোকের এনিমেটেড সংস্করণ উন্মুক্ত করুন শুরু করা হয়।   

অলংকরণ

শুরুতে প্রতিটি শ্লোক আরিফুর রহমানের নিজের অংকিত চিত্রকর্ম দ্বারা অলংকরণ করা হলেও বর্তমানে ইন্টারনেটের বিভিন্ন উন্মুক্ত এবং স্বতন্ত্র উৎস থেকে সংগৃহীত চিত্র দ্বারা অলংকরণ করা হয়।

রচয়িতা এবং প্রকাশক

আরিফুর রহমান, নরওয়ে।

দ্বাবী পরিত্যাগ

“কোন কোন অনুকাব্য বা শ্লোক বাংলা প্রবাদ প্রবচন থেকে অনুপ্রাণীত, আর এ কারণেই শব্দ বা ভাবার্থে সাদৃশ্য প্রতিফলিত হতে পারে, তবে কোন শ্লোক-ই হুবহু কোন প্রবাদ প্রবচনের অনুলিপি নয়, এ ক্ষেত্রে কোন কোন বাংলা প্রবাদ প্রবচনের আংশিক অংশ আমি ধার নিয়ে বাকী অংশ আমার মত করে রচনা করেছি। সাদাকে যেমন সকলেই সাদা, আর কালোকে যেমন সকলেই কালো বলে, অনুরূপ আমিও বলে থাকি। তাই কারোর ভাবনা বা রচনার সাথে আমার ভাবনা বা রচনার সাদৃশ্য নিতান্তই কাকতালীয় বলেই গণ্য হবে।” - আরিফুর রহমান

পাদটীকা

শব্দ এবং পুঁথির রচনা সমূহের লিংক সামাজিক মাধ্যমের বন্ধুদের সাথে লিংক শেয়ার করার জন্য উন্মুক্ত, এ ক্ষেত্রে অনুমতি নেয়ার আবশ্যকতা নাই। তবে কোথাও লিখিত আকারে পুনঃপ্রকাশ করার ক্ষেত্রে “আরিফুর রহমান”- এর নাম উল্লেখ করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করা হলো, প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন। তবে, আপনার দৈনন্দিন জীবনে যদি কখনো আরিফুর রহমানের রচিত কোন শ্লোক আপনার কথায় প্রবাদ-প্রবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সে ক্ষেত্রে এই শ্লোক সমূহ রচনা সার্থক হয়েছে বলে গণ্য হবে। এরূপ ক্ষেত্রে আরিফুর রহমানের নাম উল্লেখ করা আবশ্যক নয়, উল্লেখ করলে সেটি আপনার মহানুভবতা বলে গণ্য হবে।

অবশ্য পাঠ্য: শব্দের সজ্ঞা

ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দ হলো অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, যা বাক্য গঠ‌নের মূল উপাদান। শব্দ এক বা একাধিক বর্ণ ও অক্ষর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে।
  • সংজ্ঞা ১: এক বা একাধিক ধ্বনি একত্রিত হয়ে কোনো অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে।
  • সংজ্ঞা ২: অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে।
শব্দের প্রতিশব্দ: শব্দ, ধ্বনি, নিস্বন, রব, স্বন, আত্তয়াজ।